১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের (UDHR) ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, প্রত্যেক মানুষের মতামত পোষণ ও প্রকাশের অধিকার আছে। সেই আদর্শকেই নামে ধারণ করে ১৯৮৭ সালে লন্ডনে ARTICLE 19 প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন।
"সবার মতপ্রকাশের অধিকার আছে; এই অধিকারের মধ্যে রয়েছে হস্তক্ষেপ ছাড়াই মত পোষণ করা এবং যেকোনো মাধ্যমে তথ্য ও ধারণা গ্রহণ ও প্রদান করার স্বাধীনতা।"
সংগঠনটি শুধু গবেষণায় সীমাবদ্ধ নয়, মাঠ পর্যায়েও সক্রিয়ভাবে কাজ করে। সরকার ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা, আইনি বিশ্লেষণ, মিডিয়া স্বাধীনতা রক্ষা এবং ডিজিটাল পরিসরে মানবাধিকার নিশ্চিত করা - এ সবই এর কাজের অংশ।
কী কী বিষয়ে কাজ করে?
ARTICLE 19-এর কাজ পাঁচটি মূল থিমকে ঘিরে আবর্তিত হয়:
- মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
- তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা
- সাংবাদিকদের সুরক্ষা দেওয়া
- নাগরিক পরিসর সম্প্রসারিত করা
- এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মধ্যে মানবাধিকারের জায়গা নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক
ARTICLE 19 এর একটি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে ঢাকায়। বাংলাদেশে মিডিয়া স্বাধীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে সংগঠনটি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য ঘটনা
২০২৪ সালের শুরুতে রাশিয়া ARTICLE 19-কে "অবাঞ্ছিত সংগঠন" হিসেবে ঘোষণা করে। যা স্বাধীন মত প্রকাশের প্রতি কর্তৃত্ববাদী শাসনের ভয়কেই প্রতিফলিত করে।

0 comments:
Post a Comment